পার্ক সার্কাস হয়ে উঠছে দ্বিতীয় শাহিনবাগ: প্রবল শীতে তাঁবু চাই না, তাঁবু খাটানোর অনুমতি চাই

পার্ক সার্কাস হয়ে উঠছে দ্বিতীয় শাহিনবাগ: প্রবল শীতে তাঁবু চাই না, তাঁবু খাটানোর অনুমতি চাই

 

পাঠকের কলমে, বঙ্গ রিপোর্ট: আমার তীর্থক্ষেত্র মন্দির, মসজিদ, গীর্জা, গুরুদোয়ারা নয়…. এসবই আমার তীর্থস্থান। বিচরণভূমি। এখানে… মানুষের কল্লোলে…আন্দোলনের স্পন্দনে রসদ খুঁজে ফিরি। ময়দানের ভিতরে একটা স্থায়ী চারচালাকে পিছনে রেখে ওঁরা জাতের নামে বজ্জাতির, শিক্ষাক্ষেত্রে গুন্ডাগিরির প্রতিবাদ জানাচ্ছেন নিজেদের মত করে। তাদের মাথার ওপর ছাউনি নেই, নিচে খড়-বিচালির ওপর চট বা ত্রিপল পাতলে বসা একটু আরামদায়ক হয়। সে সব জোগাড় হয়ে যাবে, চাই সরকারি অনুমতি। তাতেও গড়িমসি কেন রায়বাহাদূরদের…..? তাই উদ্যোক্তাদের আবেদন….?

পার্ক সার্কাস ময়দানে যে স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন চলছে তার আজ শুক্রবার পঞ্চম দিন। শীতকাল, তার উপর বৃষ্টি। খোলা আকাশের নীচে বৃদ্ধা থেকে বালিকা সকলেই কষ্ট পাচ্ছেন। কিন্তু জান লড়িয়ে আছেন। ভারতবর্ষের সব মানুষের লড়াই তাঁরা লড়ছেন। আমরা আরামে, ছাদের নীচে, লেপের আদরে।

আন্দোলনরত মহিলাদের জন্য তাঁবু চাই। সে তাঁবু তাঁরাই জোগাড় করে নিতে সক্ষম। ময়দানে তাঁবু খাটাতে গেলে বাঁশ পুততে হবে। তার জন্য কলকাতা পুরসভার পারমিশন লাগে। আন্দোলনের শুরুতে স্লোগানের জন্য লাগানো মাইক খুলে দিতে হয়েছিল পুলিশের নির্দেশে, কারণ মাইক লাগাতেও পুরসভার অনুমতি লাগে। মাইকের কথা বাদ দিন।
তাঁবু খাটালে যেন বাধা না দেয় অমায়িক পুলিশ ও পুরসভা। নাগরিকদের পক্ষ থেকে জানাই সেই অনুরোধ, মেয়র থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্ত্রী ও কর্তাব্যক্তিদের।

বৃষ্টি কাল থেমে গেলেও শিশির পড়বে। আন্দোলন কিন্তু থামবে না। শীতকালও থাকবে বেশ কিছু দিন।
পুনশ্চঃ তাঁবু খাটানোর কোনও অনুরোধ আন্দোলনকারীরা করছেন না। করছি আমরা, যারা ছাদের নীচে কম্বলের মধ্যে আরামে শুয়ে রয়েছি।

বিনীত

সামিম আহমেদ,
আশরাফুল আমিন
কোলকাতা